Sunday, 21 July 2013

Life's Reverse Process

মানুষের জীবন নিয়ে পৃথিবীতে গবেষণার কোন কমতি নেই। জীবন নিয়ে দর্শন, যুক্তিতর্ক বা ভাবনার কোন শেষ নেই। তাও আমি আরেকটু ভাবার চেষ্টা করলাম।
খুব লক্ষ্য করে মানুষের জীবনের পর্যায় গুলো নিয়ে ভাবলাম একদিন। ভাবনার শুরু প্রথমে নিজেকে নিয়ে। ভাবনাটা বলার আগে পেছনের একটা কাথা বলা দরকার। আমি যখন মাত্র কৈশোরে পা দিলাম তখন ত্থেকেই একটা কেমন অদ্ভুত খেয়াল আমাকে ঘিরে রাখতো। আমার মনে হতো। “দিন যত যেতে থাকবে আমি ততো মৃত্যুর দিকে যেতে থাকবো”। এটা স্বাভাবিক কিন্তু আমার ভয় লাগতে থাকত এই ভেবে যে, আমি যত বুড়ো হব ততো বেশি জানতে থাকবো যে মৃত্যু খুব কাছে। কেমন লাগবে তখন আমার? কিন্তু আমি এই আগেও মারা যেতে পারি। মৃত্যু নিয়ে আমার ভয় নেই কারন মৃত্যুর পর আমাদের আছে অনন্ত জীবন, কিন্তু মারা যাওয়া থেকে অনন্ত জীবন শুরু হওয়া পর্যন্ত একটা অধ্যায়ে আছে। সেই অধ্যায়টা কিভাবে পার করবো? কিছু শাস্তি পাওনা হবে এই ইহলোকের কর্মফলের জন্য, সেটা কিভাবে সহ্য করবো? -এমন অনেক প্রশ্ন।
জীবনের প্রতিক্ষেত্রে কিছু পর্যায়কাল আছে যেগুলো শুধু পরিবর্তনের। পরিবর্তনের সেই পর্যায়কাল (transition period)  গুলো কখনো সহনীয়, কখনো বা অসহনীয়। জন্ম-মৃত্যুর পর্যায়কালেও মানুষ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে কিছু সময় অতিবাহিত করে। সেই সময়গুলো পার হয়ে গেলেয়ই মানুষ তার নিজস্ব ক্ষেত্রের জন্য উপযোগী হয়ে যায়। আমি শুধুমাত্র এই পরিবর্তনের পর্যায়কালটাকেই ভয় করতাম।
যাই হোক, এখন আসি শুরুর দিকের বক্তব্যতে – মানুষের জীবনের ফেইজ গুলো। শিশুকাল, কৈশোর, যৌবন, মধ্য বয়স তারপর বৃদ্ধ বয়স। আমার কাছে মনে হল, মানুষ তার যৌবন পর্যন্ত এই পৃথিবী থেকে শুধু গ্রহন করে আর যেই মুহূর্তে যৌবন শেষ, সেই মুহূর্ত থেকে শুধু প্রসব করতে থাকে। জন্ম থেকে যৌবন পর্যন্ত মানুষের সময়টা ভালো হোক বা খারাপ, মানুষ অবিরাম চেষ্টা করে যেতে থাকে কিছু অর্জনের, কথাও পৌঁছানর। সেরকম না চাইলেও অন্তত নিজের সুখের সন্ধান করে, সুখ না পেলে নিজেকেই শেষ করার চিন্তা করে। কিন্তু যৌবন পার হওয়ার পর জীবন তার থেকে হিসাব চাইতে শুরু করে সবকিছুর, যা কিছু সে করেছে জন্ম থেকে যৌবন পর্যন্ত। জীবন আস্তে আস্তে ফেরত নিতে শুরু করে সবকিছু যা সে অধিগ্রহণ করেছিলো এ যাবত কাল। বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া শুরু হয় সন্তানসন্ততি লাভের মধ্য দিয়ে। যা তুমি এ যাবত কাল করেছো বা যা করতে পারোনি, তাই আবার পুনরায় কর। যা নিয়েছ এ যাবতকাল, ফেরত দিতে শুরু কর। অনেক চেয়েছ, অনেক পেয়েছ এখন আরেকজন মানুষের চাওয়া পাওয়া পুরন কর। তোমার স্বপ্ন, লক্ষ্য হয়েতো পূরণ হয়েছে বা হয়নি, নিজেকে ঢেলে সাঁজাও আরেকজনের মধ্যে। তাই আমার মনে হয়ে জীবনের মধ্যেই জীবনের পুনর্জন্ম হয়ে। পুনর্জন্ম না হলেও মানুষ পেছনের দিকে যেতে থাকে আস্তে আস্তে। সন্তান-সন্ততি লাভ না হলেও, জীবনের reverse process কোন না কোন ভাবে শুরু হয়। আস্তে আস্তে শরীর-মন নিস্তেজ হতে থাকে, চাওয়া পাওয়া গুলো কমতে থাকে, জীবন নিস্তেজ হতে থাকে। স্বপ্ন আর লক্ষ্য গুলো সেই সময়ের মধ্যে যতদূর সম্ভব পূরণ হয়েই যায়, পূরণ না হলেও যে যার নিজস্ব অবস্থান মেনে নেয়। কৈশোরের উদ্যম আর যৌবনের আগুন থাকেনা, প্রেমের গুঞ্জন থাকলেও সেটা যৌবনের মত আর sparkling থাকেনা। যৌবনের পর থেকে তাই জীবনটাকে শুধু চালিয়ে নিয়ে যাওয়া, সহ্য করে যাওয়া, মানিয়ে নিয়ে যাওয়া।
People learn how to sacrifice and compromise in a phase of life and from the next phase, they start delivering that cultured sacrifices and compromises. That’s where life starts turning around which is a reverse process. After a certain period, it starts going back where we started it from.